শীত এলেই বাংলাদেশে শিশুদের ডায়রিয়া বাড়ে। কিন্তু একটা কঠিন সত্য আছে, বেশিরভাগ শিশু ডায়রিয়ায় মারা যায় না, মারা যায় পানিশূন্যতায়। আর এই পানিশূন্যতা ঘরেই ঠেকানো সম্ভব যদি মা ঠিক কাজটা জানেন!
শীত এলেই বাংলাদেশে শিশুদের ডায়রিয়া বাড়ে।
কিন্তু একটা কঠিন সত্য আছে, বেশিরভাগ শিশু ডায়রিয়ায় মারা যায় না, মারা যায় পানিশূন্যতায়। আর এই পানিশূন্যতা ঘরেই ঠেকানো সম্ভব যদি মা ঠিক কাজটা জানেন!
1️⃣ ORS (খাবার স্যালাইন) = জীবন। ডায়রিয়া শুরু মানেই ORS শুরু দেরি নয়।
✔️ অল্প অল্প করে বারবার
✔️ বমি করলে ৫ মিনিট থেমে আবার দিন
📌 পায়খানা যতবার → ORS ততবার
⚠️ ২৪ ঘণ্টা পর ORS ফেলে দিন
2️⃣ খাবার বন্ধ করা = বড় ভুল। অনেক মা ভাবেন, “পায়খানা হচ্ছ খাবার বন্ধ করি।” এটা করলে ডায়রিয়া আরও বাড়ে তাই বুকের দুধ বন্ধ করবেন না।
3️⃣ Zinc: ছোট ট্যাবলেট, বড় প্রভাব। ডায়রিয়া দ্রুত কমায়, ভবিষ্যতে আবার হওয়ার ঝুঁকি কমায়।
৬ মাসের কম → ১০ mg × ১৪ দিন
৬ মাসের বেশি → ২০ mg × ১৪ দিন
📌 ডায়রিয়া থেমে গেলেও ১৪ দিন পূর্ণ করুন
4️⃣ পরিষ্কার হাত = অর্ধেক চিকিৎসা। পায়খানা পরিষ্কারের পর খাওয়ানোর আগে সাবান + পানি দিয়ে হাত দোয়া= সংক্রমণ বন্ধ।
5️⃣ যে ওষুধগুলো বিপজ্জনক: নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক, পায়খানা বন্ধের সিরাপ, অপ্রমাণিত হোমিও/হারবাল। বেশিরভাগ ডায়রিয়া ভাইরাসজনিত—এসব লাগে না।
🚨 কখন দেরি নয়? এই লক্ষণগুলোর একটিও থাকলে অপেক্ষা করবেন না-
বাচ্চা খুব দুর্বল / ঘুম ঘুম
চোখ বসে গেছে, মুখ শুকনো
৬–৮ ঘণ্টা প্রস্রাব নেই
বারবার বমি, ORS রাখতে পারছে না
রক্তযুক্ত পায়খানা
৬ মাসের কম বয়স